মেনু নির্বাচন করুন
পাতা

আমাদের আয়োজন সমূহ

 

ডিজিটাল ওয়ার্ল্ড


তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ তথ্যপ্রযুক্তি খাতে দেশের সবচেয়ে বড় এবং এশিয়ার অন্যতম বৃহৎ মেলা ডিজিটাল ওয়ার্ল্ড আয়োজন করে আসছে। ২০১১ সালে ই-এশিয়া আয়োজনের মধ্য দিয়ে এ মেলার যাত্রা শুরু হয়। ২০১২ সাল থেকে ডিজিটাল ওয়ার্ল্ড নামে প্রতি বছরই এ মেলার আয়োজন করা হচ্ছে।সর্বশেষ ২০১৭ সালের ৬-৯ ডিসেম্বর ঢাকার বঙ্গবন্ধু আন্ত‍র্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজন করা হয় ডিজিটাল ওয়ার্ল্ড। এই মেলার সবচেয়ে বড় আকর্ষণ ছিল ৬ ডিসেম্বর উদ্বোধনী দিনে মানব সদৃশ রোবট সোফিয়ার উপস্থিতি। স্মরণকালের সবচেয়ে আকর্ষণীয় এই মেলায় দেশি-বিদেশি প্রায় ৩৫০ আইসিটি-সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান ও ১০০টির অধিক সরকারি প্রতিষ্ঠান অংশ নেয়। প্রায় ৫ লক্ষ মানুষ এ মেলা পরিদর্শন করে।

 

প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতা


ডিজিটাল বাংলাদেশে সাফল্য ও অর্জনসমূহকে টেকসই করতে তথ্য প্রযুক্তিতে দক্ষ জনবল , বিশেষতঃ প্রোগ্রামার দরকার। এ লক্ষ্যে দেশে প্রোগ্রামিং চর্চার ব্যাপক সম্প্রসারণে আইসিটি বিভাগ সচেষ্ট। দেশের শিশু-কিশোর ও তরুণদের মধ্যে প্রোগ্রামিং চর্চার বিকাশে আইসিটি বিভাগ বিভিন্ন প্রকারের প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতায় পৃষ্ঠপোষকতাসহ আয়োজন করেছে। এর মধ্যে রয়েছে, International Collegiate Programming Contest (ICPC), National Girls Programming Contest (NGPC), National Collegiate Programming Contest    (NCPC),  National  Children  Programming  Contest,  National  High  School  Programming  Contest  Ges     National IT Contest for Youth with Disabilities.  এ সকল আয়োজনের ফলশ্রুতিতে দেশের প্রোগ্রামারগণ নিয়মিত প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতার বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপ ACM-ICPC World Finals   এ অংশগ্রহণ করে আসছে। এ ক্ষেত্রে বাংলাদেশের উৎসাহ, সম্পৃক্ততা ও অভিজ্ঞতা বিবেচনায় বিশ্বচ্যাম্পিয়নশিপ আয়োজকেরা ২০২১ সালের ACM-ICPC World Finals বাংলাদেশে আয়োজন করতে যাচ্ছে

 

আইসিটি অস্কারখ্যাত অ্যাপিকটা (APICTA)অ্যাওয়ার্ড ঢাকা ২০১৭


এশিয়া প্যাসিফিক অঞ্চলে তথ্যপ্রযুক্তি খাতের উন্নয়নের পাশাপাশি সম্ভাবনাময় ও সফল উদ্যোগ, সফটওয়্যার ও তথ্যপ্রযুক্তিনির্ভর সেবার স্বীকৃতি দিতে প্রতিবছর এশিয়া প্যাসিফিক আইসিটি অ্যালায়েন্স (এপিআইসিটিএ বা অ্যাপকিটা) অ্যাওয়ার্ডসের আয়োজন করা হয়। বিভিন্ন দেশ থেকে ৬৬ জন বিচারক ১৭টি বিভাগের ১৭৭টি প্রকল্প বাছাই করেন। বাংলাদেশ থেকে ৪৭টি প্রকল্প প্রতিযোগিতায় অংশ নেয়। অ্যাপিকটা উপলক্ষ্যে প্রায় ৪০০ বিদেশি অতিথি বাংলাদেশে আসেন।

 

জাতিসংঘের এপিআইএস স্টিয়ারিং কমিটির অধিবেশন


 জাতিসংঘের ইকোনমিক এন্ড সোস্যাল কমিশন ফর এশিয়া অ্যান্ড দ্য প্যাসিফিক (এসকাপ) এর এশিয়া প্যাসিফিক ইনফরমেশন সুপার হাইওয়ের (এপিআইএস) স্টিয়ারিং কমিটির দু’দিনব্যাপী (১-২ নভেম্বর ২০১৭) অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয় ঢাকায়। এপিআইএস এর মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের প্রথম পদক্ষেপ হিসেবে স্টিয়ারিং কমিটির এ অধিবেশনে প্রায় ১০০টি দেশের প্রতিনিধি অংশ নেয়। অধিবেশনে এপিআইএস এর মহাপরিকল্পনার অন্ত‍র্ভুক্ত কানেক্টিভিটি, ইন্টারনেট ট্রাফিক ম্যানেজমেন্ট, ই-রিসিলিয়েন্স এবং ব্রডব্যান্ড ফর অল - এই চারটি স্ত‍ম্ভ এবং মধ্যবর্তী মেয়াদে (২০১৬-১৮) বাস্ত‍বায়নের লক্ষ্যমাত্রা পূরণের অগ্রগতি নিয়ে আলোচনা করা হয়। গত ২৯-৩০ আগস্ট ২০১৬ চীনের গুয়াংজুতে এপিআইএস ওয়ার্কিং গ্রুপের এর দ্বিতীয় সভায় বাংলাদেশকে এক বছরের জন্য ওয়ার্কিং গ্রুপের সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত করা হয়।

 

আইসিটি ক্যারিয়ার ক্যাম্প


একুশ শতকের উপযোগী দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলার জন্য প্রয়োজন শিক্ষিত তরুণ-তরুণীদের তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণে আগ্রহী করে তোলা। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের এলআইসিটি প্রকল্প দেশের ৬৪ জেলার নির্বাচিত সরকারি-বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজে শিক্ষিত তরুণ-তরুণীদের আইটি প্রশিক্ষণ গ্রহণে আগ্রহী করে তোলার জন্য আইসিটি ক্যারিয়ার ক্যাম্পের আয়োজন করে। কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রায় ৮৫ হাজার শিক্ষার্থীর মাঝে তথ্যপ্রযুক্তিতে ক্যারিয়ার গড়ে তোলার ধারণা দেয়া হয়।

 

ফ্রিল্যান্সার কনফারেন্স


বিশ্বে আউটসোর্সিংয়ে বাংলাদেশের শক্ত অবস্থান রয়েছে। শিক্ষিত তরুণ-তরুণীরা নিজেরাই যাতে আয় করে স্বাবলম্বী হতে পারে সেজন্য সরকারের লার্নিং অ্যান্ড আর্নিং প্রকল্প থেকে সারাদেশে প্রশিক্ষণের মাধ্যমে ফ্রিল্যান্সার তৈরি করা হচ্ছে। আরও ব্যাপক সংখ্যক তরুণ-তরুণীকে প্রশিক্ষণের মাধ্যমে ফ্রিল্যান্সার হিসেবে গড়ে উঠায় উদ্বুদ্ধ করার জন্য ১৯ অক্টোবর ২০১৭ ঢাকায় বঙ্গবন্ধু আন্ত‍র্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে (বিআইসিসি) ফ্রিল্যান্সার কনফারেন্সের আয়োজন করা হয়। এতে সারাদেশ থেকে প্রায় ২৫০০ জন ফ্রিল্যান্সার অংশগ্রহণ করে।

 

ওয়ান স্টুডেন্ট, ওয়ান ল্যাপটপ


আইসিটি ডিভিশন এক্সিম ব্যাংকের আর্থিক সহায়তায় ওয়ান স্টুডেন্ট, ওয়ান ল্যাপটপ প্রোগ্রামের আওতায় মেধাবী ও অসচ্ছল শিক্ষার্থীদের মাঝে ল্যাপটপ বিতরণের উদ্যোগ গ্রহণ করে। গত ৩০ এপ্রিল ২০১৫ মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ এ ল্যাপটপ বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন। এ পর্যন্ত‍ ৭শ’ ছাত্র-ছাত্রীর মােঝ ল্যাপটপ বিতরণ করা হয়। এছাড়াও শিশু সাংবাদিকদের সাংবাদিকতা পেশায় উৎসাহিত করার জন্য তাদের মাঝে ল্যাপটপ বিতরণ করা হয়। গ্রামীণ নারী শিক্ষার্থীদের তথ্যপ্রযুক্তি শিক্ষা ও সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করতে আইসিটি বিভাগ, মাইক্রোসফট বাংলাদেশ ও স্বর্ণকিশোরী নেটওয়ার্ক ফাউন্ডেশন যৌথ উদ্যোগ গ্রহণ করে এবং গ্রামীণ নারী শিক্ষার্থীদের মাঝে ল্যাপটপ বিতরণ করে।

 

অন্যান্য ইভেন্ট


বিগত বছরগুলোতে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ নানা ইভেন্ট আয়োজনে অগ্রনি ভূমিকা পালন করে। এর মধ্যে রয়েছে:

  •  প্রতি বছর ‘বিপিও সামিট’;
  • জাতীয় শিশু দিবস ২০১৭;
  •  উন্নয়ন মেলা ২০১৬;
  • জাতীয় ইন্টারনেট সপ্তাহ ২০১৬;
  • অনলাইনে নারীর নিরাপত্তা বিষয়ক জাতীয় সম্মেলন-২০১৭;
  • শেখ হাসিনা উদ্যোগ-ডিজিটাল বাংলাদেশ ক্যাম্পেইন-২০১৬-১৮;
  •  জাতীয় মোবাইল অ্যাপি কেশন পুরস্কার ২০১৬ ও ওয়ার্ল্ড সামিট ২০১৬;
  •  ন্যাশনাল হাই-স্কুল প্রোগ্রামিং কনটেস্ট (প্রতি বছর);
  • ন্যাশনাল হ্যাকাথন ফর উইমেন;
  • জাতীয় তথ্যপ্রযুক্তি দিবস;
  •  ডিজিটাল বাংলাদেশ দিবস;
  • সোশ্যাল মিডিয়া এক্সপো ২০১৭,
  • আইসিটি বিতর্ক প্রতিযোগিতা এবং আরও অনেক ইভেন্ট।

ছবি


সংযুক্তি


সংযুক্তি (একাধিক)



Share with :

Facebook Twitter